দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরিশাল সফরের একদিন পরই তার নির্দেশ বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) কম্পাউন্ডে পরিচালিত এ অভিযানে নারী-পুরুষসহ আটজন রোগীর দালালকে আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ও র্যাব-৮ এর সদস্যদের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নগরীতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত আটজন রোগীর দালালকে আটক করা হয়েছে।
আটকরা হলেন—মো. রুমান, মো. রুবেল, ছাবিনা আক্তার নাজমা, লাবনী খানম, সুমি বেগম, মিম আক্তার, আইসা আক্তার ও হাফিজা বেগম। আটকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে ও ভেতরে অবস্থান নিয়ে রোগীদের টার্গেট করতো। তারা উন্নত চিকিৎসা ও দ্রুত পরীক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের নামমাত্র বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেতো।
অভিযানে আটক একাধিক দালাল স্বীকার করেছেন, রোগী নিয়ে গেলে তারা কমিশন পেতেন। কেউ কেউ প্রতিটি রোগীর জন্য ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত পেতেন। রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়াই ছিল তাদের দায়িত্ব।
এ ব্যাপারে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, দীর্ঘদিন থেকে হাসপাতাল কেন্দ্রীক দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছিল। প্রায়ই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়েও দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা যাচ্ছিল না।
তিনি আরও জানান, ১১ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরিশাল সফরে এসে জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল এলাকায় দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ শতভাগ সফল করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
/অ